"Bangla Islamic Articale" হলো বাংলাভাষী পাঠকদের জন্য কুরআন, সহীহ হাদীস ও নির্ভরযোগ্য স্কলারদের মতামতের ভিত্তিতে লেখা একটি জ্ঞানকোষ। আকীদা, ফিকহ, সীরাত, জীবনযাপন এবং সামাজিক বিষয়াবলির উপর মানসম্মত প্রবন্ধ পড়ুন। পিডিএফ (PDF) বই এবং প্রবন্ধ ডাউনলোডের সুবিধা সহ ইসলামকে জানুন, বুঝুন ও দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগ করুন।

Full-Width Version (true/false)

শনিবার, ১৯ জুন, ২০২১

❤ "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ" ❤ সহিহ দলিল ১৮ টি দিলাম

 

❤ "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ" ❤

       সহিহ দলিল ১৮ টি দিলাম

(১) আয়াত/তাফসীর

(২) হাদিস শরীফ

(৩) ইজমা

(৪) মক্কা শরীফের গেইট

(৫) মদিনা শরীফের মসজিদে

(৬) সৌদির পতাকা

(৭) সৌদির মক্কা টাওয়ারের ঘড়িতে

(৮) আফগানিস্তানের পতাকা

আহলে হাদিস, সালাফি, লামাযহাবিদের কয়েকজন শাইখ এবং বিভিন্ন পুস্তকাদিতে লিখে রেখেছেন এই বাক্য তো সহিহই না বরং শিরক-বিদআত! নাউযুবিল্লাহ। 

#হাদিসের_দলিলঃ 


✅১নং দলিলঃ মুসলিম শরীফের একটি বাব (পরিচ্ছেদ) কায়েম করা হয়েছে স্বয়ং এই কালিমায়ে তায়্যিবাহর এই শব্দ গুলো দিয়েই ।


باب الأَمْرِ بِقِتَالِ النَّاسِ حَتَّى يَقُولُوا لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ ‏‏ 


অর্থাৎ, লোকদের সাথে যুদ্ধ করার নির্দেশ,যে পর্যন্ত না তারা “লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ“

( ﻻ ﺍﻟﻪ ﺍﻻ ﺍﻟﻠﻪ ﻣﺤﻤﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ)

বলে। 

(অর্থাৎ যতক্ষন পর্যন্ত তারা 

“লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ” 

( ﻻ ﺍﻟﻪ ﺍﻻ ﺍﻟﻠﻪ ﻣﺤﻤﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ) 

এ কথা বলবেনা বা সাক্ষ্য দিবেনা ততক্ষন পর্যন্ত যুদ্ধ করবে। আর যখনি তারা এটাকে স্বীকার করবে ,বলবে বা পডবে বা সাক্ষ্য দিবে যুদ্ধ করা থেকে বিরত থাকবে।)


⬆সহিহু মুসলিম ৩০ নাম্বার হাদিস (ইফা.) 


🙄ইমাম মুসলিম রাহি. এই বাব কায়েম করলেন তিনি তাহলে শিরক করেছেন! নাউযুবিল্লাহ! 


✅২নং হাদিসঃ


ﻧُﻌَﻴْﻢُ ﺍﻟْﻐِﻔَﺎﺭِﻱُّ ﺑْﻦُ ﻋَﻢِّ ﺃﺑِﻲْ ﺫَﺭٍّ ﻟَﻪ ﺻُﺤْﺒَﺔٌ ﺫَﻛَﺮَﻩ ﻳُﻮْﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﺑُﻜَﻴْﺮٍ ﻓِﻲْ ﺯِﻳَﺎﺩَﺍﺕِ ﺍﻟْﻤَﻐَﺎﺯِﻱْ ﻭَﺃﺧْﺮَﺟَﻪ ﺍﻟْﺤَﺎﻛِﻢُ ﻣِﻦْ ﻃَﺮِﻳْﻖِ ﻳُﻮْﻧُﺲَ ﻋَﻦْ ﻳُﻮْﺳُﻒَ ﺑْﻦِ ﺻُﻬَﻴْﺐٍ ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ ﺍﻟﻠﻪِ ﺑْﻦِ ﺑُﺮَﻳْﺪَﺓَ ﻋَﻦْ ﺃﺑِﻴْﻪِ ﻗَﺎﻝَ ﺇﻧْﻄَﻠَﻖَ ﺃﺑُﻮْ ﺫَﺭٍّ ﻭَﻧُﻌَﻴْﻢُ ﺑْﻦُ ﻋَﻢِّ ﺃﺑِﻲْ ﺫَﺭٍّ ﻭَﺃﻧَﺎ ﻣَﻌَﻬُﻢْ ﻳَﻄْﻠُﺐُ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻭَﻫُﻮَ ﻣُﺴْﺘَﺘِﺮٌ ﺑِﺎﻟْﺠَﺒَﻞِ ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺑِﻪ ﺃﺑُﻮْ ﺫَﺭٍّ ﻳَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺃﺗَﻴْﻨَﺎﻙَ ﻟِﻨَﺴْﻤَﻊَ ﻣَﺎ ﺗَﻘُﻮْﻝُ ﻗَﺎﻝَ ﺃﻗُﻮْﻝُ ﻟَﺎ ﺇﻟﻪَ ﺇﻟَّﺎ ﺍﻟﻠﻪُ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺭَّﺳُﻮْﻝُ ﺍﻟﻠﻪِ ﻓَﺂﻣَﻦَ ﺑِﻪ ﺃﺑُﻮْ ﺫَﺭٍّ ﻭَﺻَﺎﺣﺒُﻪ - ﺍﻻﺻﺎﺑﺔ ٦ / ٤٦۳

হযরত বুরাইদা বিন হুসাইব রা. থেকে বর্ণিত, হযরত আবু যর রা. ও তার চাচাতো ভাই নুআইম রা. নবী কারীম স. কে তালাশ করছিলেন আর আমি তাদের সাথে ছিলাম। নবী কারীম স. তখন পাহাড়ে লুকিয়েছিলেন। হযরত আবু যর রা. বললেনঃ হে মুহাম্মাদ সা.! আমরা আপনার কাছে আপনার কথা শুনতে এসেছি। তখন নবী কারীম স. ইরশাদ করলেনঃ আমি তোমাদেরকে ﻟَﺎ ﺇﻟﻪَ ﺇﻟَّﺎ ﺍﻟﻠﻪُ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺭَّﺳُﻮْﻝُ ﺍﻟﻠﻪِ বলি অর্থাৎ, আল্লাহ ব্যতীত কোন মা’বুদ নেই। মুহাম্মাদ স. আল্লাহ তাআলার রসূল। অতঃপর আবু যর রা. ও তার সাথী এ কথার ওপর ঈমান আনলেন।


[আল-ইসাবা- ৬/৪৬৩, সাহাবী নম্বর- ৮৭৯২, মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন- হাদিস নং-৪৬৪৩, সাহাবী নম্বর-১৮০৩, ৪/৭৬ খন্ড ]


হাদীসটির স্তর : সহীহ। ইউসুফ বিন সুহাইব ব্যতীত এ হাদীসের রাবীগণ সবাই-ই বুখারী/মুসলিমের রাবী। আর ইউসুফ বিন সুহাইব ﺛﻘﺔ “নির্ভরযোগ্য”। (তাকরীবুত তাহযীব- ৮৮৭৬)

👇

আহলে হাদিস ওয়েব সাইট

islamweb.net হাদিসটিকে মুসতাদারাক আলাস সহীহাইনের বরাতে উল্লেখ করে বলেন

ﺻﺤﻴﺢ ﺍﻹﺳﻨﺎﺩ ، ﻭﻟﻢ ﻳﺨﺮﺟﺎﻩ হাদিসের সনদ সহিহ, তবে ইমাম বুখারী ও মুসলিম এটিকে তাদের কিতাবে (বুখারী-মুসলিমে) উল্লেখ করেন নি। [ লিংক দেখুন- https://library.islamweb.net/ar/

library/index.php ? ]

.

✅৩নং দলিলঃ

 

ﻋﻦ ﻋﻤﺮ ﺑﻦ ﺍﻟﺨﻄﺎﺏ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻗﺎﻝ ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻟﻤﺎ ﺃﺫﻧﺐ ﺁﺩﻡ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺍﻟﺬﻧﺐ ﺍﻟﺬﻱ ﺃﺫﻧﻪ ﺭﻓﻊ ﺭﺃﺳﻪ ﺇﻟﻰ ﺍﻟﻌﺮﺵ ﻓﻘﺎﻝ ﺃﺳﺄﻟﻚ ﺣﻖ ﻣﺤﻤﺪ ﺃﻻ ﻏﻔﺮﺕ ﻟﻲ ﻓﺄﻭﺣﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﺇﻟﻴﻪ ﻭﻣﺎ ﻣﺤﻤﺪ ﻭﻣﻦ ﻣﺤﻤﺪ ﻓﻘﺎﻝ ﺗﺒﺎﺭﻙ ﺍﺳﻤﻚ ﻟﻤﺎ ﻟﻤﺎ ﺧﻠﻘﺘﻨﻲ ﺭﻓﻌﺖ ﺭﺃﺳﻲ ﺇﻟﻰ ﻋﺮﺷﻚ ﻓﺈﺫﺍ ﻫﻮ ﻣﻜﺘﻮﺏ ﻻ ﺇﻟﻪ ﺇﻻ ﺍﻟﻠﻪ ﻣﺤﻤﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﻓﻌﻠﻤﺖ ﺃﻧﻪ ﻟﻴﺲ ﺃﺣﺪ ﺃﻋﻈﻢ ﻋﻨﺪﻙ ﻗﺪﺭﺍ ﻣﻤﻦ ﺟﻌﻠﺖ ﺍﺳﻤﻪ ﻣﻊ ﺍﺳﻤﻚ ﻓﺄﻭﺣﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﺰ ﻭﺟﻞ ﺇﻟﻴﻪ ﻳﺎ ﺁﺩﻡ ﺇﻧﻪ ﺁﺧﺮ ﺍﻟﻨﺒﻴﻴﻦ ﻣﻦ ﺫﺭﻳﺘﻚ ﻭﺇﻥ ﺃﻣﺘﻪ ﺁﺧﺮ ﺍﻷﻣﻢ ﻣﻦ ﺫﺭﻳﺘﻚ ﻭﻟﻮﻻﻩ ﻳﺎ ﺁﺩﻡ ﻣﺎ ﺧﻠﻘﺘﻚ

উমার ইবনুল খাত্তাব রাঃ থেকে বর্ণিত,

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম বলেনঃ


(ইবলিশ যখন )হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে নিষিদ্ব গাছের ফল ভক্ষন করাতে সক্ষম হল, [যার দরূন উনাকে জান্নাত থেকে দুনিয়াতে প্রেরণ করা হয়, তখন তিনি সর্বদা কাঁদতে ছিলেন। আর অনুতপ্ত হৃদয়ে ইস্তেগফার করতে ছিলেন।] তখন তিনি একবার আসমানের দিকে মুখ করলেন, আর বলতে লাগলেন, হে আল্লাহ পাক ! হযরত মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ওসীলায় আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। তখন ওহী নাজীল হয়- হযরত মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কিভাবে আপনি চিনলেন? [যার ওসীলা দিয়ে আপনি দুআ করছেন?] তখন তিনি বলেন-যখন আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, তখন আমি আরশে লেখা দেখলাম-

“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ” ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখনই আমি বুঝে গিয়েছিলাম যে, হযরত মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চেয়ে সর্বোচ্চতর ব্যক্তিত্ব কেউ নেই যার নাম মুবারক আপনি স্বীয় নামের সাথে রেখেছেন। তখন ওহী নাজীল হল-তিনি সর্বশেষে নবী ও রসূল হিসেবে প্রেরিত হবেন। আপনার সন্তানদের অন্তর্ভূক্ত হবেন। যদি তিনি না হতেন, তাহলে আপনাকেও সৃষ্টি করা হতো না।


দালায়েলুন নাবায়িয়্যাহ-৫/৪৮৯ পৃ,মুসতাদরাকে হাকেম-২/৪৮৬, হা/৪২২৮, আল মাদখাল-১/১৫৪, আল মুজামুল আওসাত-৬/৩১৩, হা/৬৫০২, আল মুজামুস সগীর-২/১৮২, হা/৯৯২,

মুজমায়ে কবীর,আল মুসনাদিল ফেরদাউসঃ ৫/২২৭, কাশফুল কাফা-১/৪৬ ও ২/২১৪


⬆এই হাদিসটিকে অনেক ইমামগন সহিহ বলেছেনঃ

১. ইমাম হাকিমন রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন হাদিসটি সহীহ।

(আল মুস্তাদরাক ,২/৬১৫)


👉ইমাম তকি উদ্দীন সুবকী বলেন, হাদিসটি হাসান।

(শিফাউস সিকাম /১২০)


👉ইমাম তকী উদ্দীন দামেশকী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন,হাদীসটি বিশুদ্ধ।

(দাফউ শুবহাহ , ১/৭২)


👉ইমাম কাস্তালানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, হাদিসটি বিশুদ্ধ।

(মাওয়াহিবুল লাদুনিয়া ,১/১৬৫)


👉ইমাম সামহুদী বলেন, হাদিসটি সহীহ।

(ওয়াফাউল ওয়াফান , ২/৪১৯)


👉ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ুতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, বিভিন্ন সনদে বর্ণিত এ হাদিসটি বিশুদ্ধ।

(খাসায়িসুল কুবরা , ১/৮)


👉ইবনু তাইমিয়্যাহ এ হাদীসটি দলীল হিসাবে তার কিতাবে উল্লেখ করেছেন। 

(মাজমাউল ফাতাওয়া, ২/১৫৯)


👉বিশ্ববিখ্যাত মুহাদ্দিস মুল্লা আলী কারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, একথাটি সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ।

(আল আসরারুল মারফুআহ , ১/২৯৫)

.

✅৪নং হাদিসঃ--

ﻋَﻦْ ﺃﻧَﺲٍ ﻗَﺎﻝَ : ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺩَﺧَﻠْﺖُ ﺍﻟﺠَﻨَّﺔَ ﻓَﺮَﺃﻳْﺖُ ﻓﻲ ﻋﺎﺭِﺿَﺘِﻲ ﺍﻟﺠَﻨَّﺔِ ﻣَﻜْﺘُﻮﺑﺎً ﺛَﻼَﺛَﺔَ ﺃﺳْﻄُﺮٍ ﺑﺎﻟﺬَّﻫَﺐِ ﺍﻟﺴَّﻄْﺮُ ﺍﻷﻭَّﻝ ﻻَﺇﻟﻪَ ﺇﻻ ﺍﻟﻠﻪ ﻣﺤﻤَّﺪٌ ﺭَﺳﻮُﻝُ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺍﻟﺴَّﻄﺮُ ﺍﻟﺜَّﺎﻧِﻲ ﻣﺎﻗَﺪَّﻣْﻨﺎ ﻭَﺟَﺪْﻧﺎ ﻭﻣﺎ ﺃﻛَﻠْﻨﺎ ﺭَﺑِﺤْﻨﺎ ﻭﻣﺎ ﺧَﻠَّﻔْﻨﺎ ﺧَﺴِﺮْﻧﺎ ﻭﺍﻟﺴَّﻄْﺮُ ﺍﻟﺜَّﺎﻟِﺚُ ﺃُﻣَّﺔٌ ﻣُﺬْﻧِﺒَﺔٌ ﻭَﺭَﺏٌّ ﻏَﻔُﻮﺭٌ . ‏( ﺭﻭﺍﻩ ﺍﺑﻦ ﺍﻟﻨﺠﺎﺭ ﻓﻲ ﺗﺎﺭﻳﺦ ﺑﻐﺪﺍﺩ ﻭﺍﻟﺮﺍﻓﻌﻲ ﻓﻲ ﺗﺎﺭﻳﺦ ﻗﺰﻭﻳﻦ ‏)

ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﺮﺍﻓﻌﻲ ﻓﻲ " ﺗﺎﺭﻳﺨﻪ " ‏( 3/ 91 ‏) ﻣﻌﻠﻘﺎً ﺑﺈﺳﻨﺎﺩ ﻣﻈﻠﻢ ﻋﻦ ﻋﻠﻲ ﺑﻦ ﻋﺎﺻﻢ ﻋﻦ ﺣﻤﻴﺪ ﺍﻟﻄﻮﻳﻞ ﻋﻦ ﺃﻧﺲ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻗﺎﻝ : ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ - ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ -:. . .

হযরত আনাস রা. থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ স. ইরশাদ করেনঃ আমি জান্নাতে প্রবেশ করে জান্নাতের উভয় পাশে স্বর্ণাক্ষরে ৩টি লাইন লেখা দেখলাম।

১ম লাইন : ﻟَﺎ ﺇﻟﻪَ ﺇﻟَّﺎ ﺍﻟﻠﻪُ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺭَّﺳُﻮْﻝُ ﺍﻟﻠﻪِ অর্র্থাৎ, আল্লাহ ব্যতীত কোন মা’বুদ নেই মুহাম্মাদ স.আল্লাহ তাআলার রসূল।

২য় লাইনঃ যা আমরা আগে পাঠিয়েছি তার প্রতিদান পেয়েছি, যা দুনিয়াতে পানাহার করেছি তা দ্বারা লাভবান হয়েছি। আর যা দুনিয়াতে ছেড়ে এসেছি তাতে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।

৩য় লাইনঃ উম্মত গুনাহগার এবং রব ক্ষমাকারী। [জামে' সগীরঃ হাদীস নম্বর- ৪১৮৬, তারীখে রাফেয়ী-৩/৯১]


হাদীসটির স্তর : সহীহ্ লিগাইরিহী ।

ইমাম সুয়ূতী লেখেন, হাদীসটি সহীহ. ৷

জামেউস সগীর সুয়ূতী ১/৮৭১

👇

ফোটনোটঃ এই হাদিসকে আলবানী রাহ. যঈফ বলেছেন। কারণ সনদে রয়েছেন আহমাদ বিন হাম্বল রাহ. এর উস্তাদ "আলী বিন আসেম"। যিনি অনেক সময় ভূল করতেন....


তবে আলবানী রাহ. হাদিসটিকে অগ্রহণযোগ্য বলা ঠিক হয় নি। কারণ এই রাবীর কিছু ভুল থাকলেও, তিনি মুত্তাহাম বিল কিযব/মিথ্যার অভিযোগে অভিযোক্ত ছিল না। এবং তার হাদিস ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রাহ. সহ অনেকেই গ্রহণ করতেন যেমনঃ--


(১) আব্দুল্লাহ বলেন, আমার পিতা আহমাদ বিন হাম্বল রাহ. আমাকে বর্ণনা করেন।

ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﺑﻦ ﺃﺣﻤﺪ : ﺣﺪﺛﻨﺎ ﺃﺑﻲ : ﻗﺎﻝ ﻭﻛﻴﻊ - ﻭﺫﻛﺮ ﻋﻠﻲ ﺑﻦ ﻋﺎﺻﻢ - ﻓﻘﺎﻝ : ﺧﺬﻭﺍ ﺣﺪﻳﺜﻪ ﻣﺎ ﺻﺢ ، ﻭﺩﻋﻮﺍ ﻣﺎ ﻏﻠﻂ ، ﺃﻭ ﻣﺎ ﺃﺧﻄﺄ . ﻗﺎﻝ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ : ﻛﺎﻥ ﺃﺑﻲ ﻳﺤﺘﺞ ﺑﻬﺬﺍ ، ﻭﻳﻘﻮﻝ : ﻛﺎﻥ ﻳﻐﻠﻂ ﻭﻳﺨﻄﺊ ، ﻭﻛﺎﻥ ﻓﻴﻪ ﻟﺠﺎﺝ ، ﻭﻟﻢ ﻳﻜﻦ ﻣﺘﻬﻤﺎ ﺑﺎﻟﻜﺬﺏ .

ইমাম ওয়াকী রাহ. "আলী বিন আসেম" এর আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, তোমরা তার থেকে সহিহটা গ্রহন করো, আর ভূলটা গ্রহণ করিও না। আব্দুল্লাহ বলেন,

আহমাদ বিন হাম্বল রাহ তার হাদিস দলিল হিসেবে গ্রহণ করতেন এবং তিনি ভূল করলেও মিথ্যার অভিযোগে অভিযুক্ত নন।


(২) ইমাম ফাল্লাস রাহ. বলেন

ﻭﻗﺎﻝ ﺍﻟﻔﻼﺱ : ﻋﻠﻲ ﺑﻦ ﻋﺎﺻﻢ ﻓﻴﻪ ﺿﻌﻒ ، ﻭﻛﺎﻥ - ﺇﻥ ﺷﺎﺀ ﺍﻟﻠﻪ - ﻣﻦ ﺃﻫﻞ ﺍﻟﺼﺪﻕ

আলী বিন আসেমের মধ্যে দূর্বলতা থাকলেও। ইংশা আল্লাহ সে সত্যবাদীদের অন্তর্ভূক্ত।


(৩) ইমাম আবু দাউদ রাহ. বলেন, ﻭﻗﺎﻝ ﺃﺑﻮ ﺩﺍﻭﺩ : ﻗﺎﻝ ﺃﺣﻤﺪ - ﻭﺫﻛﺮ ﻋﻠﻲ ﺑﻦ ﻋﺎﺻﻢ - ﻓﻘﺎﻝ : ﺃﻣﺎ ﺃﻧﺎ ﻓﺄﺧﺬﺕ ﻋﻨﻪ ، ﻭﺣﺪﺛﻨﺎ ﻋﻨﻪ

আহমাদ বিন হাম্বল রাহ. "আলী বিন আসেম" সম্পর্কে বলেন, আমি তার থেকে হাদিস গ্রহণ করি...


(৪) নিশাপুরী রাহ. বলেন

ﻭﻗﺎﻝ ﺳﻌﻴﺪ ﺑﻦ ﻋﻤﺮﻭ ﺍﻟﺒﺮﺫﻋﻲ : ﺣﺪﺛﻨﺎ ﻣﺤﻤﺪ ﺑﻦ ﻳﺤﻴﻰ ﺍﻟﻨﻴﺴﺎﺑﻮﺭﻱ ﻗﺎﻝ : ﻗﻠﺖ ﻷﺣﻤﺪ ﺑﻦ ﺣﻨﺒﻞ ﻓﻲ ﻋﻠﻲ ﺑﻦ ﻋﺎﺻﻢ ، ﻭﺫﻛﺮﺕ ﻟﻪ ﺧﻄﺄﻩ ، ﻓﻘﺎﻝ : ﻛﺎﻥ ﺣﻤﺎﺩ ﺑﻦ ﺳﻠﻤﺔ ﻳﺨﻄﺊ - ﻭﺃﻭﻣﺄ ﺃﺣﻤﺪ ﺑﻴﺪﻩ - ﺧﻄﺄ ﻛﺜﻴﺮﺍ ،

ﻭﻟﻢ ﻧﺮ ﺑﺎﻟﺮﻭﺍﻳﺔ ﻋﻨﻪ ﺑﺄﺳﺎ .

আমি আহমাদ বিন হাম্বল রাহ. কে "আলী বিন আসেম" সম্পর্কে জিজ্ঞাস করলাম এবং তার ভূল গুলী আলোচনা করলাম। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল হাত দারা ইশারা করে দেখিয়ে বলেন "হাম্মাদ বিন সালামা" অনেক ভূল করতেন। তবে আমরা তার থেকে রেওয়াত করা কোন সমস্যা মনে করতাম না।

[ সিয়ারু আলামিন নুবালা-৯/২৪৯

https://library.islamweb.net/ar/library/

index.php ? ]

👇

অতএব মহান কালিমা তাইয়্যিবার হাদিসটির ক্ষেত্রে "আলী বিন আসেম" এর রেওয়ায়ত গ্রহণ করাতে কোন সমস্যা নাই। আর অন্যান্য বহু হাদিসে কালিমা তাইয়্যিবার কথা রয়েছে। হাদিসটি সহিহ লিগাইরিহী।

.

✅৫নং দলিলঃ--

হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত লম্বা একটি হাদীসে রাসূল (সা.) কাফের ও সত্যিকারের মুসলমানদের অবস্থার বিবরণ দিতে গিয়ে নিম্নে বর্ণিত আয়াতের আলোকে বলেন-


ﺇِﺫْ ﺟَﻌَﻞَ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮُﻭﺍ ﻓِﻲ ﻗُﻠُﻮﺑِﻬِﻢُ ﺍﻟْﺤَﻤِﻴَّﺔَ ﺣَﻤِﻴَّﺔَ ﺍﻟْﺠَﺎﻫِﻠِﻴَّﺔِ ﻓَﺄَﻧْﺰَﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺳَﻜِﻴﻨَﺘَﻪُ ﻋَﻠَﻰ ﺭَﺳُﻮﻟِﻪِ ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺍﻟْﻤُﺆْﻣِﻨِﻴﻦَ ﻭَﺃَﻟْﺰَﻣَﻬُﻢْ ﻛَﻠِﻤَﺔَ ﺍﻟﺘَّﻘْﻮَﻯ ﻭَﻛَﺎﻧُﻮﺍ ﺃَﺣَﻖَّ ﺑِﻬَﺎ ﻭَﺃَﻫْﻠَﻬَﺎ ﻭﻫﻰ ﻻ ﺍﻟﻪ ﺇﻻ ﺍﻟﻠﻪ ﻣﺤﻤﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ”

কাফেররা মুসলমানদের সাথে সেই অজ্ঞ যুগের বাড়াবাড়িতে লিপ্ত ছিল। এমতাবস্থায় আল্লাহ তা’আ লা (মুসলমানদের একত্মবাদের ফলে) রাসূল (সা.) ও মুমিনদের ওপর স্বীয় প্রশান্তি অবতরণ করেন। আর তাদের জন্য তাকওয়ার কালিমা আবশ্যক করে দেন। যার সত্যিকার ধারক তারাই। এই তাকওয়ার কালিমাটি হলো “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ”।


[ বায়হাকী, পৃষ্টা- ১৩১ কিতাবুল আসমা ওয়াসসিফাত ]

হাদিসিটির স্তরঃ হাদিসটি সহিহ। এই হাদীসের সব বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।

.

✅৬নং দলিলঃ


ﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻗﺎﻝ : ‏« ﻛﺎﻧﺖ ﺭﺍﻳﺔ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺳﻮﺩﺍﺀ ﻭﻟﻮﺍﺅﻩ ﺃﺑﻴﺾ، ﻣﻜﺘﻮﺏ ﻋﻠﻴﻪ : ﻻ ﺇﻟﻪ ﺇﻻ ﺍﻟﻠﻪ ﻣﺤﻤﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ‏» . ﻻ ﻳﺮﻭﻯ ﻫﺬﺍ

ﺍﻟﺤﺪﻳﺚ ﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ﺇﻻ ﺑﻬﺬﺍ ﺍﻹﺳﻨﺎﺩ، ﺗﻔﺮﺩ ﺑﻪ : ﺣﻴﺎﻥ ﺑﻦ ﻋﺒﻴﺪ ﺍﻟﻠﻪ . ‏( ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﻄﺒﺮﺍﻧﻲ ﻓﻲ ﺍﻟﻤﻌﺠﻢ ﺍﻷﻭﺳﻂ : 219

অনুবাদঃ হযরত ইবনে আব্বাস রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঝাণ্ডা ছিল কালো এবং পতাকা ছিল সাদা রঙের। এই পতাকায় লেখা ছিল“ﻻ ﺇﻟﻪ ﺇﻻ ﺍﻟﻠﻪ ﻣﺤﻤﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ“


(আল মু’জামুল আওসাত তাবরানী-১/১২৫, হা/২২১, শামায়েলে ইমাম বাগাবী-হা/৮৯৪) 


⭐এই হাদীসের বর্ণনাকারীগণ সবাই নির্ভরযোগ্য। একজন বর্ণনাকারী “হাইয়্যান” কেউ কেউ অপরিচিত বলে আপত্তি করার সুযোগ খুঁজেছেন। কিন্তু এতে এমন কোনো সুযোগ নেই। তার সম্পর্কে হাদীস বিশারদ ইমাম আবু হাতেম (রহ.) বলেন ﺻﺪﻭﻕ নির্ভরযোগ্য।

এ ছাড়া ইমাম বাযযার (রহ.) তাকে সুপ্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস বলে অবিহত করেন।

( অাল জারহ ওয়াত্তা’দিল ৩/২৪৬)

.


#তাফসীরের_দলিল


✅৭নং দলিল;

আল্লামা ইবনে কাছির রহ. বলেনঃ


فالرسول وأتباعه يعبدون الله بما شرعه؛ ولهذا كان كلمة الإسلام “لا إله إلا الله محمد رسول الله”أي: لا معبود إلا الله ولا طريق إليه إلا بما جاء به الرسول صلى الله عليه وسلم، 


রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার অনুসারীরা আল্লাহর ইবাদত করতেন যা তিনি নির্দেশ করতেন । এই জন্য সর্বযুগে ইসলামের কালিমা ছিল 

“لا اله إلا الله محمد رسول الله” 

আল্লাহ ছাড়া কেও উপাসনার উপযুক্ত নয় । আর আল্লাহর ইবাদতের মাধ্যম হল রাসুলের আনিত বিষয়ের অনুস্মরণ।


(তাফসীরে ইবনে কাছির, ৮/৫০৮)


✅৮নং দলিলঃ- আবু হুরায়রা রাযি. ও আতা রাহ. বলেন, কুরাইশের কাফেরগণ যে কালেমা অসিকার করেছিল। তা হলোঃ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ।

ﺗﻔﺴﻴﺮ ﺍﻟﺒﺤﺮ ﺍﻟﻤﺤﻴﻂ - ﺝ 8 - ﺍﻟﺰﺧﺮﻑ - ﺍﻟﻨﺎﺱ

https://books.google.com.bd › books

... ﻻ ﺇﻟﻪ ﺇﻻ ﺍﻟﻠﻪ ، ﻭﺍﻟﻠﻪ ﺃﻛﺒﺮ، ﻭﻗﺎﻝ ﺃﺑﻮ ﻫﺮﻳﺮﺓ ﻭﻋﻄﺎﺀ ﺍﻟﺨﺮﺍﺳﺎﻧﻲ : ﻻ ﺇﻟﻪ ﺇﻻ ﺍﻟﻠﻪ ﻣﺤﻤﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ... ﺍﻟﺮﺣﻴﻢ ، ﻭﻫﻲ ﺍﻟﺘﻲ ﺃﺑﺎﻫﺎ ﻛﻔﺎﺭ ﻗﺮﻳﺶ ، ﻓﺄﻟﺰﻣﻬﺎ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﻤﺆﻣﻨﻴﻦ ﻭﺟﻌﻠﻬﻢ ﺃﺣﻖ ﺑﻬﺎ ، ﻭﻗﻴﻞ ..

[তাফসীরে বাহরুল মুহীত- ৮ম খন্ড]


✅৯নং দলিলঃ--

ﺗﻔﺴﻴﺮ ﺍﻟﻘﺮﺁﻥ ﺍﻟﻌﻈﻴﻢ ‏( ﺗﻔﺴﻴﺮ ﺍﺑﻦ ﻛﺜﻴﺮ ‏) - ﺝ 13

https://books.google.com.bd › books

ﻻ ﺇﻟﻪ ﺇﻻ ﺍﻟﻠﻪ ﻳﺴﺘﻜﺒﺮﻭﻥ ‏» . ﻭﻗﺎﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺟﻞ ﺛﻨﺎﺅﻩ : { ﻭﺃﻟﺰﻣﻬﻢ ﻛﻠﻤﺔ ﺍﻟﻘﻮﻯ ﻭﻛﺎﻧﻮﺍ ﺃﺣﻖ ﺑﻬﺎ ﻭﺃﻫﻠﻬﺎ ‏» ، ﻭﻫﻲ : ‏« ﻻ ﺇﻟﻪ ﺇﻻ ﺍﻟﻠﻪ ، ﻣﺠﻤﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ

[তাফসীরে ইবনে কাসীর-৪/১৬৫]


✅১০নং দলিলঃ-

ﻋﻤﺪﺓ ﺍﻟﺘﻔﺎﺳﻴﺮ ﻣﻦ ﺍﻟﺤﺎﻓﻆ ﺍﺑﻦ ﻛﺜﻴﺮ - ﺝ 3 - ﻟﻘﻤﺎﻥ - ﺍﻟﻨﺎﺱ

https://books.google.com.bd › books

ﻭﻗﺎﻝ ﻋﻄﺎﺀ ﺍﻟﺨﺮﺍﺳﺎﻧﻰ : ﻫﻰ : ﻻ ﺇﻟﻪ ﺇﻻ ﺍﻟﻠﻪ، ﻣﺤﻤﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ . ... ﻻ ﺇﻟﻪ ﺇﻻ ﺍﻟﻠﻪ . ‏« ﻭﻛﺎﻧﻮﺍ ﺃﺣﻖ ﺑﻬﺎ ﻭﺃﻫﻠﻬﺎ ‏» : ﻛﺎﻥ ﺍﻟﻤﺴﻠﻤﻮﻥ ﺃﺣﻖ ﺑﻬﺎ، ﻭﻛﺎﻧﻮﺍ

[উমদাতুত তাফসীর মিন হাফেজ ইবনে কাসীর- ৩য় খন্ড]


✅১১নং দলিলঃ-- আবু হুরায়রা রা. এর তাফসীর

ﺃﺑﻮ ﻫﺮﻳﺮﺓ ﻭﻣﺮﻭﻳﺎﺗﻪ ﻓﻲ ﺗﻔﺴﻴﺮ ﺍﻟﻄﺒﺮﻱ ﻭﺍﺑﻦ ﺃﺑﻲ ﺣﺎﺗﻢ - ﺍﻟﺮﺳﺎﻟﺔ ﺍﻟﻌﻠﻤﻴﺔ ...

https://books.google.com.bd › books

... ﻓﺄﻧﺰﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺳﻜﻴﻨﺘﻪ ﻋﻠﻰ ﺭﺳﻮﻟﻪ ﻭﻋﻠﻰ ﺍﻟﻤﺆﻣﻨﻴﻦ ﻭﺃﻟﺰﻣﻬﻢ ﻛﻠﻤﺔ ﺍﻟﺘﻘﻮﻯ ﻭﻛﺎﻧﻮﺍ ﺃﺣﻖ ﺑﻬﺎ . ... ﻭﻛﺎﻧﻮﺍ ﺃﺣﻖ ﺑﻬﺴﺎ ﻭﺃﻫﻠﻬﺎ ‏) ﻭﻫﻰ ﻻ ﺍﻟﻪ ﺍﻻ ﺍﻟﻠﻪ ﻣﺤﻤﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ، ﺍﺳﺘﻜﺒﺮ ﻋﻨﻬﺎ ﺍﻟﻤﺸﺎﺭﻛﻮﻥ ﻳـﻮﻡ ...

[তাফসীরে তবারী-১১/৩৬৫, ও তাফসীরে ইবনে আবী হাতেম ]


✅১২ নং দলিল-- উল্লেখ্য, এই হাদীসটি মূলত কুরআনে কারীমের সূরায়ে ফাতহ-এর ২৬ নম্বর আয়াতে উল্লিখিত ﻛﻠﻤﺔ ﺍﻟﺘﻘﻮﻯ (কালিমায়ে তাক্বওয়া)-এর ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে বর্ণিত অসংখ্য হাদীসের একটি মাত্র। এ ছাড়া তাফসীরের প্রায় সব কিতাবে কালিমায়ে তাক্বওয়ার ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে লিখেছেন, তা হলো “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ”।

আরো দেখতে পারেন, তাফসীরে রূহুল মা’আনী ১৩/২৯২, কুরতুবী ১৬/১৯০, বাগাবী ৫/১১৬)


পূর্ববর্ণিত সহীহ হাদীস ছাড়াও এ কালিমা বর্ণিত হয়েছেঃ

হযরত হারেস বিন খযরাজ রা. থেকে (মু’জামে কাবীর লিত তবারানী:৪১৮৮, মু’জামে আওসাত লিত তবারানী:২১৯, মু’জামে ছগীর লিত তবারানী:৯৪৮,৯৯২)

হযরত উমর রা. থেকে (মু’জামে আওসাত লিত তবারানী:৫৯৯৬ ও ৬৫০২)

হযরত আবু যর রা. থেকে (মুসনাদে বায্যারঃ ৪০৬৫ নং হাদীসে) এবং

হযরত ইবনে আব্বাস রা. থেকে (মু’জামে কাবীর-১১০৯৩ নং হাদীসে)

হযরত আনাস বিন মালেক রা. থেকে (জামে’ সগীর: হাদীস নম্বর- ৪১৮৬)

.

#ইজমাঃ 


✅১৩নং দলিল


واجمع المسلمون على ان الكافر اذا قال لا اله الا الله محمد رسول الله فقد دخل فى الاسلام- وشهد شهادة الحق-  ولم يتوقف اسلامه  على لفظ الشهادة-    وانه  قد دخل فى  قوله حتى يشهدوا ان لا اله الا الله وفى لفظ  اخر  حتى  يقولو لا اله  الا  الله   فدل على ان مجرد قولهم   لا اله  الا  الله شهادة  منهم- 


ব্যাপারে  সমস্ত মুসলমানগণ   ঐকমত্য পোষণ করেছেন  যে,  যখন    কোন   কাফির    ব্যক্তি   বলবে,  ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ তখন সে ইসলাম ধর্মে  দাখিল    হয়ে  যাবে।  এবং  এটাই  তার  শাহাদাতে হক্ব হয়ে যাবে। তার ইসলাম গ্রহণ শুধুমাত্র শাহাদতের শব্দের      মধ্যে      সীমাবদ্ধ      নয়।       যেমন      রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু     আলাইহি     ওয়াসাল্লাম     এর     হাদিসে     এক বর্ণনায়  এসেছে  শাহাদত  শব্দ    সহকারে।   যেমন   حتى يشهدوا ان لا اله الا الله  অর্থ: তারা যেন স্বাক্ষ্য দেয় ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ আবার অন্য  বর্ণনায় এসেছে  শাহাদত শব্দ ব্যতিরেখে।  حتى يقولوا لا اله الا الله যেমন অর্থাৎ তারা যেন বলে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। 


(মাদারিজুস    সালেকীন,   ৩য়    খ-     ৪৫২  পৃষ্ঠা)


✅১৪নং দলিলঃ শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া (রহ.) লিখেন,


دين الاسلام مبنى على اصلين، من خرج عن واحد منها فلا عمل له ولا دين: ان نعبد الله وحده ولا نشرك به شيئا وعلى ان نعبد بما شرع، لا بالحوادث والبدع هو حقيقة قول: “لا اله إلا الله محمد رسول الله:


ইসলামের মূল ভিত্তি দু’টি। যে এর কোনো একটি পরিত্যাগ করবে তার যাবতীয় আমল বৃথা। তার কোনো দ্বীন ধর্ম নেই। আল্লাহর কোনো শরীক না করে তাঁর ইবাদত করা এবং বিদআত ও কুসংষ্কার পরিহার করে রাসূল (সা.) আনীত দ্বীন গ্রহণ করা। যা এক বাক্যে : 

“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ”।

(আর রাদ্দু আলাল বিকরি-৫৩, তরজামানুস সুন্নাহ ২/৪৫)


✅১৫নং দলিল - মক্কার ৭৯ নম্বর গেইট "বাবুল মালিক ফাহাদ"-এ লিখা আছে, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ


✅১৬নং দলিলঃ রাসুল- সা. এর রওজার ৫ কাতার পিছনে দাড়ালেই উপরে টাইলসে লিখা দেখতে পাবেন, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ।

.

✅১৭নং দলিল- সৌদির পতাকায় লিখা আছে, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ।


✅১৮নং দলিলঃ আফগানিস্তানের ঝান্ডায়, মসজিদে নাবাবীতে, মক্কা ঘড়ির টাওয়ারে পবিত্র কালিমাটি খচিত রয়েছে। 


আল্লাহ আমাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী, সংশয় সৃষ্টিকারী এই মানুষ শয়তানের ফিরকার ফিতনা থেকে মুসলিম উম্মাহকে হেফাজত করেন। আমিন...


✍️মুফতি জুবায়ের আহমাদ ভৈরবী

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Top Ad

Your Ad Spot

Pages

SoraTemplates

Best Free and Premium Blogger Templates Provider.

Buy This Template